সিলেটে জাতীয় ক্যাডেট কোরের সচেতনতামূলক র্যালি অনুষ্ঠিত
সময় সিলেট ডেস্ক :

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর জন্ম শতবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয় ক্যাডেট কোর ৭ নং ব্যাটালিয়নের উদ্যোগে সিলেট নগরে গণ-সচেতনতামূলক র্যালি বের করা হয়েছে। রোববার (১০ জানুয়ারি) দুপুরে নগরের লামাবাজারস্থ মদনমোহন সরকারি কলেজ থেকে শুরু হয়ে চৌহাট্টা-জিন্দাবাজার-মির্জাজাঙ্গাল হয়ে র্যালিটি পুনরায় মদনমোহন সরকারি কলেজে গিয়ে শেষ হয়।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে র্যালির উদ্বোধন করেন- সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোর্শেদ আহমেদ চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- রেজিমেন্ট কমান্ডার লে. কর্নেল সালাউদ্দিন আল মুরাদ, মদনমোহন সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সর্বানী অর্জুন, ব্যাটালিয়ন কমান্ডার ক্যাপ্টেন অধ্যাপক ড. তোফায়েল আহমদ।
র্যালিতে আরও উপস্থিত ছিলেন- শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ক্যাপ্টেন ড. আশ্রাফুল করিম, লেফটেন্যান্ট মো. মনিরুল ইসলাম। র্যালীতে বিএনসিসি’র সিলেটের সকল বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ ও স্কুলের অফিসার ও ক্যাডেটবৃন্দ।
প্রধান অতিথির অধ্যাপক ডা. মোর্শেদ আহমেদ চৌধুরী বলেন- বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে আমরা স্বাধীন দেশ পেতাম না। বঙ্গবন্ধুর দৃঢ়তার কারণেই নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়। তবে ১৯৭১ এর ১৬ ডিসেম্বর দেশ হলেও প্রকৃতপক্ষে জাতির পিতার দেশে ফিরে আসার মধ্য দিয়েই বাঙালির বিজয় পূর্ণতা লাভ করে। বঙ্গবন্ধু নিজেই এই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে অন্ধকার থেকে আলোর পথে নিয়ে এসেছিলেন। তিনি বলেন- বঙ্গবন্ধু রাজনৈতিক স্বাধীনতার পাশাপাশি বাঙালির অর্থনৈতিক মুক্তিও চেয়েছিলেন। সে লক্ষ্যে সদ্য স্বাধীন যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের পুনর্গঠনের কাজও শুরু করেছিলেন। কিন্তু বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মাধ্যমে অগ্রগতির সে যাত্রাকে স্তব্ধ করে দেওয়া হয়।
তিনি আরও বলেন- বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা আজ বাঙালি জাতিকে আলোর পথে নিয়ে যাওয়ার হাল ধরেছেন। তার হাত ধরে বাংলা, বাঙালি জাতি আর বাংলাদেশ অন্ধকার থেকে আলোর পথে পাড়ি দিচ্ছে। শেখ হাসিনার এই আলোর পথযাত্রী হিসেবে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তির সকলকে সঙ্গী হতে হবে। তার হাতে শক্তিশালী করতে হবে।




