দুর্যোগ মোকাবিলায় সিসিক প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বাড়ল
সময় সিলেট ডেস্ক

দুর্যোগ মোকাবিলায় ঢাকা ও সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সক্ষমতা বাড়াতে প্রকল্পের সময় ও মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।
বাড়ানো এ প্রকল্প সম্পর্কে বলে হয়েছে- ঢাকা ও সিলেট শহরে দুর্যোগ মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট সংস্থাসমূহের সক্ষমতা গড়ে তোলার লক্ষ্যে ঢাকা শহরে দুটি ইমারজেন্সি অপারেটিং সেন্টার এবং ১০টি জোন অফিসে স্যাটেলাইট কন্ট্রোল সেন্ট্রাল রুম প্রতিষ্ঠা, সিলেট শহরে একটি ইমারজেন্সি অপারেটিং সেন্টার নির্মাণ, ঢাকা-সিলেট শহরের ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের জন্য ফিক্সড মোবাইল ইমারজেন্সি কমান্ড ও কন্ট্রোল রুম, আইসিটি, লাইফ সেভিং ইকুইপমেন্ট, ইমারজেন্সি রেসপন্স অ্যাসেট রাখার জন্য ওয়ার হাউজেজ নির্মাণ, দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি প্রভৃতি। খবর- ঢাকাপোস্ট।
প্রকল্পের প্রধান কার্যক্রম হলো- ইমারজেন্সি অপারেটিং সেন্টার ও ডিএমআর নেটওয়ার্ক স্থাপনের জন্য ১৮টি গ্রিনফিল্ড টাওয়ার নির্মাণ, ইমারজেন্সি ম্যানেজমেন্ট সেটআপসহ ওয়ার হাউজ নির্মাণ, স্যাটেলাইট ও কন্ট্রোল অফিস নির্মাণ এবং যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জামাদি ক্রয়, কমিউনিকেশন ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য আইসিটি সেলের যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম ক্রয়, পরামর্শক নিয়োগ, প্রশিক্ষণ ও সেমিনার/কর্মশালা আয়োজন, স্যাটেলাইট/ফ্রিকোয়েন্সি ক্রয়, লাইসেন্স ফি, প্রি-শিপমেন্ট ইন্সপেকশন ফি, সিডি/ভ্যাট, ব্যাংক/বিমা চার্জ, কমিশন, টেস্টিং ফি দেওয়া প্রভৃতি।
ঢাকা ও সিলেট শহরে দুর্যোগ মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট সংস্থাসমূহের সক্ষমতা গড়ে তোলার লক্ষ্যে ঢাকা শহরে দুটি ও সিলেট শহরে একটি ইমারজেন্সি অপারেটিং সেন্টার এবং ১০টি জোন অফিসে স্যাটেলাইট কন্ট্রোল সেন্ট্রাল রুম নির্মাণ, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের জন্য ফিক্সড মোবাইল ইমারজেন্সি কমান্ড ও কন্ট্রোল রুম, আইসিটি, লাইফ সেভিং ইকুইপমেন্ট, ইমারজেন্সি রেসপন্স অ্যাসেট রাখার জন্য ওয়ার হাউজেজ নির্মাণ।
অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় ‘স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন কৌশলে’ সিটি করপোরেশনের জন্য যেসব উদ্দেশ্য নির্ধারণ করা হয়েছে তার মধ্যে প্রধান হলো- মানবসম্পদ উন্নয়ন নিয়মিতকরণ, বিনিয়োগ-সহায়ক টেকসই নগর উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা। এর মাধ্যমে সড়ক সংযোগ, অবকাঠামো নির্মাণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, সিটি করপোরেশনগুলোর সাংগঠনিক দক্ষতা ও ব্যবস্থাপনা উন্নতীকরণ। প্রস্তাবিত প্রকল্পের মাধ্যমে ডিএমআর নেটওয়ার্ক স্থাপন, ইমারজেন্সি ম্যানেজমেন্ট সেটআপসহ অপারেটিং সেন্টার ও ওয়ার হাউজ নির্মাণের মাধ্যমে দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবিলা করা সম্ভব হবে এবং ঢাকা ও সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। এ বিবেচনায় প্রকল্পটি অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ।
ডিএমআর নেটওয়ার্ক স্থাপনের পাশাপাশি ঢাকা-সিলেট শহরের ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের জন্য ইমারজেন্সি কন্ট্রোল রুম ও ওয়ার হাউজ নির্মাণ’সহ দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। এজন্য প্রকল্পটি একনেক সভায় সংশোধন করা হয়েছে পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সদস্য মামুন-আল-রশিদ।
এ প্রসঙ্গে পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সদস্য (সচিব) মামুন-আল-রশিদ বলেন- প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকা শহরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার জন্য একটি ইমারজেন্সি অপারেটিং সেন্টার এবং ১০টি জোন অফিস (স্যাটেলাইট কন্ট্রোল রুম) পাওয়া যাবে। ফলে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় কার্যকর ভূমিকা রাখা যাবে।
ডিএমআর নেটওয়ার্ক স্থাপনের পাশাপাশি ঢাকা-সিলেট শহরের ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের জন্য ইমারজেন্সি কন্ট্রোল রুম ও ওয়ার হাউজ নির্মাণ’সহ দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। এজন্য প্রকল্পটি একনেক সভায় সংশোধন করা হয়েছে— বলেন মামুন-আল-রশিদ।




