বুধবার (৬ অক্টোবর) বিকেল সুনামগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. জাকির হোসেন এ রায় প্রদান করেন। বাবুল মিয়া সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার কাইয়ার গাঁও গ্রামের মৃত দেওয়ান আলী ছেলে।
আদালত সূত্রে জানা যায়,২০০২ সালে ১ আগস্ট ঘটনার সময় ভিকটিমের বয়স আনুমানিক ছিল ১১ বছর। সে ঐ সময় কাইয়াগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৫ম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। ঐ দিন রাত ১২টার সময় বাবুল কৌশলে ঘরের দরজা খুলে ভিকটিমের ঘরে ঢুকে মেয়েটির মুখ চেপে ধরে ধর্ষণ করে।
এ সময় মেয়েটির চিৎকারে তার বাবা মা ঘুম থেকে ওঠে আসামী বাবুলকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। ঘটনার জানাজানি হলে স্থানীয় ব্যক্তিরা সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দেন পরে বিচার না পেয়ে ভিকটিমের অভিভাবক বাদী হয়ে সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া শেষে সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে এ রায় প্রদান করেন আদালত। এ রায়ে এ মেয়ের বাবা সহ আত্মীয় স্বজনরা সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।
রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী হিসেবে ছিলেন নান্টু রায় এবং আসামীপক্ষের আইনজীবী হিসেবে ছিলেন আব্দুল কাদির।




