সিলেটে করোনা টিকার ‘বুস্টার ডোজ’ দেওয়া শুরু
স্টাফ রিপোর্টার

সিলেটে শুরু হয়েছে করোনা টিকার বুস্টার ডোজের কার্যক্রম। বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কেন্দ্রে সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীকে টিকা দেয়ার মাধ্যমে বুস্টার ডোজের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত চলে এই টিকাদান। প্রথম দিনে টিকা নেয়ার জন্য ২০০ জনকে এসএমএস দেয়া হয়। এরমধ্যে টিকা নেন ১১০ জন।
এ সময় ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ডা. মাহবুবুল আলম ও সিসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জাহিদুল ইসলাম’সহ হাসপাতালের চিকিৎসকগণ উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে- মঙ্গলবার থেকে রাজধানীতে সীমিত পরিসরে বুস্টার ডোজের কার্যক্রম শুরু করা হয়। এর আগে গত ১৯ ডিসেম্বর প্রথমবারের মতো দেশে পরীক্ষামূলকভাবে বুস্টার ডোজ শুরু হয়। প্রথমে বুস্টার ডোজ নেন দেশে প্রথম করোনার টিকা গ্রহণকারী কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স রুনু ভেরোনিকা ডি কস্টা।
এদিকে প্রথম অবস্থায় সিলেট নগরীর জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে বুস্টার ডোজ দিতে ৬ হাজার জনের একটি তালিকা পাঠানো হয়। যাদের মধ্যে ষাটোর্ধ নাগরিক ও ফ্রন্টলাইনাররা রয়েছেন। তাদের মধ্য থেকে প্রথম দিনে ২০০ জনকে বুধবার সন্ধ্যায় এসএমএস পাঠানো হয়। বৃহস্পতিবার টিকা নেন ১১০ জন। একই সময়ে ১ম ও ২য় ডোজের ধারাবাহিক কার্যক্রম অব্যাহত ছিল।
সিসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জাহিদুল ইসলাম জানান- বৃহস্পতিবার নগরীতে বুস্টার ডোজের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে বুস্টার ডোজের দৈনিক এসএমএস বাড়ানো হবে। পাশাপাশি ১ম ও ২য় ডোজের স্বাভাবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। যারা বুস্টার ডোজ গ্রহণের জন্য এসএমএস পাবেন তাদেরকে সুরক্ষা (www.surokkha.gov bd) এপ থেকে পূনরায় টিকা কার্ড ডাউনলোড করে টিকা কেন্দ্রে যেতে হবে। নতুন ডাউনলোড কৃত টিকা কার্ডে বুস্টার ডোজের কলাম সংযোজন করা থাকবে। যাদের টিকা কার্ডে কেন্দ্র হিসেবে পুলিশ লাইন্স হাসপাতাল থাকবে তাদেরকে ওসমানী হাসপাতাল কেন্দ্রে গিয়ে টিকা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। কারণ বর্তমানে পুলিশ হাসপাতাল কেন্দ্রে টিকা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এসএমএস না পেলে কাউকে অযথা টিকা কেন্দ্রে ভীড় না করার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান তিনি।




