বালাগঞ্জে প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে প্রভাবশালীদের মাছ শিকার
বালাগঞ্জ সংবাদদাতা :
সিলেটের বালাগঞ্জ উপজেলা সদর ইউপির কালিয়ারগাঁও-এর কিছু প্রভাবশালী মহল উন্মুক্ত কালিয়া-ফেকুয়া নদীতে অবয়াশ্রম তৈরি করে বালাগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের একাধিকবার নিষেধাজ্ঞার পরেও অবৈধ ভাবে মাছ ধরার খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয় সুত্রে জানাযায়, উপজেলা সদর ইউনিয়নের কালিয়ারগাঁও-এর কান্দান মিয়া, মঙ্গল মিয়া,গং সহ কিছু প্রভাবশালী মহল বেশ কিছু দিন থেকে উন্মুক্ত কালিয়া-ফেকুয়া নদীতে অবয়াশ্রম তৈরি একরকম জোরপূর্বক মাছ ধরে আসছিল।
স্থানীয় জেলে সম্প্রদায়ের লোকজন সেখানে মাছ ধরা থেকে বঞ্চিত থাকার ফলে উপজেলা প্রশাসন বরাবরের মৌখিক ও লিখিতভাবে একাধিকবার অভিযোগ করেছেন। এতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাময়িক প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হলেও পরবর্তীতে তা অমান্য করে প্রশাসনকে বৃদ্ধাংগুলি দেখিয়ে তাদের অবৈধ কার্যক্রম চালিয়ে যায়।
এদিকে, বৃহস্পতিবার (২৪ ডিসেম্বর) আবারও স্থানীয় জেলে সম্প্রদায়ের লোকজনের পিড়াপিড়িতে উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশে বালাগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে অবয়াশ্রম দাতারা পালিয়ে যায়। সেখান থেকে কাউকে আটক কিংবা মাছ ধরার জালও উদ্ধার করা হয়নি।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দেবাংশু কুমার সিংহ বলেন- প্রশাসনের নির্দেশনা না মানায় একাধিক বার আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করছি। কাজের পরিমান বেশী, তবে একটু সময় নিয়ে নিজে উপস্থিত থেকে অবয়াশ্রম তুলে দেওয়া হবে।
প্রসঙ্গত, গত ২২ নভেম্বর বালাগঞ্জ থানায় অবৈধ ভাবে মাছ ধরার বিষয়ে লিখিত অভিযোগ করা হয়। সেটা অমান্য করলে, আবার গত ২৯ নভেম্বর ও ১০ ডিসেম্বর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর গরীব-অসহায় জেলেরা অভিযোগ করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে ঘটনাস্থলে ইউএনও পরিদর্শন করে দুই দিনের ভেতরে অবয়াশ্রম তুলে দেওয়ার নির্দেশ দেন। তাও তাঁদের টনক নড়েনি, তারপর গত ০২ ডিসেম্বর উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশনা অমান্য করার প্রেক্ষিতে এক অভিযানে প্রভাবশালীদের ২টি জাল আটক করে বালাগঞ্জ থানায় নিয়ে আসা হয়। কিন্তু জাল জব্দ বা বিনষ্ট করার কথা থাকলে অদৃশ্য কারণে ২দিন পর তাদেরকে জাল ফেরত দেওয়া হয়।




