অস্ট্রেলিয়ার তরুণেরা মোস্তাফিজকে দেখার সুযোগ পাচ্ছে না : অ্যাগারের আফসোস
স্পোর্টস ডেস্ক
পাঁচ ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজে প্রথম দুই ম্যাচ মিলিয়ে ৫ উইকেট পেয়েছেন মোস্তাফিজ। কাল দ্বিতীয় ম্যাচে ২৩ রানে ৩ উইকেট নিয়ে বাঁহাতি পেসার বাংলাদেশের জয়ে দারুণ ভূমিকা রাখেন। প্রথম ম্যাচেও মোস্তাফিজের ২ উইকেট সহজ করে দিয়েছিল বাংলাদেশের জয়ের রাস্তা।
বাংলাদেশের এ পেসারের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন অস্ট্রেলিয়া দলের ময়জেস হেনরিকেস ও অ্যাগার। মোস্তাফিজের ‘স্লোয়ার বল ভালো উইকেটে খেলাও কঠিন’
‘মনে করেন হেনরিকেস। অ্যাগারের চোখে ‘মোস্তাফিজ অবিশ্বাস্য। এককথায় দুর্দান্ত।’
কিন্তু দুর্দান্ত এই বোলারের বল অস্ট্রেলিয়ার তরুণ ক্রিকেটাররা যে দেখতে পারছেন না, তা নিয়ে হতাশা ঝরল অ্যাগারের কণ্ঠে।আমার স্ত্রী নিশ্চিতভাবেই এতে খুশি নয়। সে তো সব সময় আমার খেলা দেখতে পারে না।
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকায় অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে অস্ট্রেলিয়ান স্পিনার বলেন- ভিন্ন কন্ডিশন মানে ভিন্ন কিছু বিষয় শেখার সুযোগ। ধরুন- এসব ম্যাচই কম বয়সী ক্রিকেটাররা দেখছে, তারা এমন কিছু ক্রিকেটারকে দেখবে, যাঁদের আগে কখনো দেখেনি। তাঁদের বোলিং স্টাইলও অস্ট্রেলিয়ায় তেমন প্রচলিত নয়। তারা মোস্তাফিজকে দেখলে হয়তো তাঁর মতো করে স্লোয়ার বল করাটা শেখার চেষ্টা করবে।’
অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটে সর্বশেষ ১৯৯৪ সালে দেশটির জাতীয় ক্রিকেট দলের সফর সেখানকার কোনো সম্প্রচারমাধ্যমে সম্প্রচার করা হয়নি। সেটি ছিল অস্ট্রেলিয়ার পাকিস্তান সফর। প্রায় তিন দশক পর এই প্রথম তেমন আরেকটি সফর করছে অস্ট্রেলিয়া দল, যে সফরের খেলা দেখতে ইন্টারনেটে লিংক চাইছেন দেশটির জাতীয় দলের ক্রিকেটাররাই।
প্রথম দুই ম্যাচে যদিও ম্যাথু ওয়েডের দলের পারফরম্যান্স নিয়ে ‘সিডনি মর্নিং হেরাল্ড’-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘৩০ বছরের মধ্যে এই প্রথম ছেলেদের জাতীয় দলের সিরিজ ব্ল্যাকআউট (টিভিতে দেখানো হচ্ছে না)। সেটি আসলে সফরকারী দলের খেলা দেখার লজ্জা পাওয়া থেকে বাঁচিয়ে দিচ্ছে। কারণ, (অস্ট্রেলিয়ার খেলা) এতটাই বিরক্তিকর যে ঘরে বসে কেউ সেটা দেখতে চাইবে না।’
অ্যাগার মোটেই তা মনে করছেন না। তাঁর মতে ; হার-জিত যা-ই হোক, লোকে ক্রিকেট দেখতে পছন্দ করে। নিজের স্ত্রীর খেলা দেখতে না পারার উদাহরণও দিলেন অ্যাগার, ‘আমার স্ত্রী নিশ্চিতভাবেই এতে খুশি নয়। সে তো সব সময় আমার খেলা দেখতে পারে না। তবে অস্ট্রেলিয়ানরা এমন খেলা দেখতে চায় কি না, এ প্রশ্নের উত্তরে বলব- তারা অবশ্যই দেখতে চায়। সব সময়ই ক্রিকেট দেখতে চায় অস্ট্রেলিয়ানরা। ক্রিকেট ভালোবাসে, এমন অসংখ্য মানুষ তো আছে সেখানে। আর ম্যাচগুলোও তো রোমাঞ্চকর।’





