সিলেটে টিকা গ্রহণের এসএমএস পাননি ৭২ হাজার রেজিস্ট্রেশনকারী
সময় সংগ্রহ

সারাদেশের মতো সিলেটেও করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পেইন কার্যক্রম চলছে। তবে টিকা গ্রহণের জন্য এসএমএস পাননি সিলেট নগরীর প্রায় ৭২ হাজার রেজিস্ট্রেশনকারী। তবে যারা নিবন্ধিত, কিন্তু এসএমএস আসে নাই। তারা আগামী ২ দিন টিকা গ্রহণ করতে পারবে বলে জানিয়েছেন সিসিকের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা।
এ বিষয়ে সিসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জাহিদুল ইসলাম বলেন- আগামী ৮ ও ৯ আগস্ট সিলেটের ওয়ার্ড ভিত্তিক কেন্দ্রগুলোতে গিয়ে রেজিট্রেশন আপডেট এর মাধ্যমে মর্ডানার টিকা গ্রহণ করতে পারবেন। এ সময় সাথে নিতে হবে রেজিট্রেশন কপি। সকাল ৯ টা থেকে ৩ টা পর্যন্ত দেওয়া হবে টিকা। নগরীর ২৭টি ওয়ার্ডে ৮১টি কেন্দ্রে দেয়া হচ্ছে টিকা। প্রতিটি কেন্দ্রে দু’জন করে টিকাদানকর্মী ও তিনজন করে স্বেচ্ছাসেবক কাজ করছেন।
তিনি আরও বলেন- সিসিকের ২৭টি ওয়ার্ডে ৮১টি কেন্দ্রে ৬০ হাজার টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা আছে। এরমধ্যে সিসিকের প্রতিটি কেন্দ্রে প্রতিদিন ৩০০ জনকে টিকা দেওয়া হবে। এই কার্যক্রম আগামী ৩ দিন চলমান থাকবে বলে জানান সিসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা।
এদিকে সারাদেশের মতো সিলেটেও গণটিকা কার্যক্রমে টিকা নিচ্ছেন সাধারণ মানুষ। এতে জেলা ও মহানগরে ৩৮১টি কেন্দ্রে টিকা দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে জেলায় ৩০০ টি কেন্দ্র ও নগরীতে ২৭ টি ওয়ার্ডে ৮১টি কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানান- সিলেট জেলায় ১ দিন ও নগরীতে টানা তিনদিন গণটিকা কার্যক্রম চলবে।
এদিকে টিকা নিতে আসা সাধারণ মানুষ ভোগান্তি নিরসনের টিকাদান কেন্দ্র বাড়ানো ও ক্যাম্পেইনের সময়সীমা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে।
আজ শনিবার (৭ আগস্ট) সকালে নগরীর চৌহাট্টাস্থ রেড ক্রিসেন্ট মাতৃমঙ্গল হাসপাতালে ঢাকা থেকে ভার্চুয়াল মাধ্যমে যুক্ত হয়ে গণটিকাদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন সিলেট-১ আসনের সাংসদ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন বলেন- ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দক্ষ নেতৃত্বে বাংলাদেশ করোনা পরিস্থিতি দৃঢ়ভাবে মোকাবেলা করছে। করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে সরকার বিভিন্ন দেশ থেকে টিকার ব্যবস্থা করছে। সামনে আরো প্রচুর টিকা দেশে আসবে।’
তিনি বলেন- ‘গণটিকা কার্যক্রম একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। এই কার্যক্রম সামনে আরো গতিশীল হবে। সবাইকে টিকা নিতে হবে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। তবেই আমরা করোনামুক্ত বাংলাদেশ দেখতে পাব।’




