বিশ্বনাথে নদী তীরের গাছ কর্তন : গুড়ায় কাঁদামাটি দিয়ে ঢাকার চেষ্টা!
বিশ্বনাথ সংবাদদাতা

সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার ধলীপাটলি গ্রামের সামনে বাসিয়া নদী তীরের বড় দু’টি কদম গাছ কেটে বিক্রির পর গাছের গুড়ায় কাঁদা মাটি দিয়ে ঢেকে রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
স্থাানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ- গ্রামের মৃত আলা উদ্দিনের ছেলে আমির হোসেন (৩২) নদী তীরের প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা মূল্যের গাছ দুটি কেটে বিক্রি করে টাকা আত্মসাৎ করেছেন। আর গাছ দু’টির গুড়ায় কাঁদামাটি দিয়ে ঢেকে রেখেছেন।
জানা গেছে- বাসিয়া নদী তীর দিয়ে অবস্থিত ধলীপাটলি গ্রাম। আর ওই নদী তীরে অসংখ্য গাছ রয়েছে। সরকারী জায়গায় থাকায় গাছগুলোর দিকে কারো নজর না থাকলেও গ্রামের আমির হোসেন প্রতি বছরই কম হলেও দু’চারটি গাছ কেটে বিক্রি করেন। এমন অভিযোগ গ্রামবাসীর। যে কারণে এবারও তিনি তাই করেছেন। গ্রামের কৃষক স্বপন মিয়ার বাড়ির সামন থেকে গত বুধবার একটি এবং এর পার্শ্ববর্তি স্থান থেকে আরও একটি গাছ কেটে তিনি বিক্রি করেছেন। প্রথমদিকে কেউ কোন অভিযোগ না করলেও গাছের গুড়ায় কাঁদামাটি দিয়ে লুকানোর চেষ্টা করায় বিষয়টি গ্রামের লোকজনের নজরে পড়ে।
ধলীপাটলি গ্রামের আরমান আলী নামের এক ব্যবসায়ী’সহ একাধিক লোকজনের অভিযোগ- প্রতি বছরই আমির হোসেন প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গলি দেখিয়ে নদী তীরের গাছ কেটে বিক্রি করে টাকা আত্মসাৎ করেন। এবারও তিনি প্রায় ২০হাজার টাকা মূল্যের দু’টি গাছ বিক্রি করেছেন।
আরমান আলী বলেন- আগামী দু’একদিনের মধ্যে গাছ কাটার অভিযোগ এনে আমির হোসেনের বিরুদ্ধে তারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, ভূমি কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রকৌশলী বরাবরে স্মারকিলিপি দাখিল করবেন।
তবে, অভিযুক্ত আমির হোসেন সাংবাদিকদের গাছ কাটার সত্যতা স্বীকার করলেও বিক্রির কথা স্বীকার করেননি। তিনি জানান- বিক্রি করেননি তিনি এক গরীবকে ওই দু’টি গাছ দান করেছেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌরপ্রশাসক সুমন চন্দ্র দাশ জানান- অভিযোগ ও ঘটনার সত্যতা পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




