‘বাতিল হচ্ছে অনিয়মিত ২১০ সংবাদপত্র’
সময় সংগ্রহ
‘দেশে ২১০টি সংবাদপত্রের তালিকা করেছে মন্ত্রণালয়, যেগুলো মাঝে মাঝে ছাপানো হয়। তবে কোথা থেকে ছাপা হয় তা কেউ জানে না।’ মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।
পত্রিকাগুলো থাকার দরকার নেই মন্তব্য করে সেগুলো বন্ধ করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে বরেন্দ্র অঞ্চলের উন্নয়ন ভাবনা নিয়ে দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভায় অংশ নিয়ে তিনি হাছান মাহমুদ এসব কথা বলেন।
সাধারণ সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান তপু প্রমুখ।
এর আগে ১৪ সেপ্টেম্বর দেশে প্রায় ৪০০টি পত্রিকা অনিয়মিত প্রকাশ হচ্ছে জানিয়ে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেছিলেন, এগুলো ভূতুড়ে পত্রিকা।
একই অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, একটি গণতান্ত্রিক দেশে গণমাধ্যমেরও বিকাশ হয়। এক্ষেত্রে গণমাধ্যমকর্মীদের স্বাস্থ্য বিমা নিশ্চিতে মালিকদের পদক্ষেপ নিতে হবে।দেশে গণমাধ্যমের দ্রুত বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে সমস্যাও তৈরি হয়েছে। অনেক স্বার্থানেস্বী মহলও তৈরি হয়েছে, যারা নিজের স্বার্থের জন্য সাইনবোর্ড ব্যবহার করে। আর এসব পত্রিকা যখন বিজ্ঞাপন না পায় তখন কর্মীদের ওপর চড়াও হয়, ছাঁটাই করা শুরু করে। এমন সুবিধাবাদী ২১০টি ব্রিফকেটস বন্দী পত্রিকার কার্যক্রম বন্ধের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। যেগুলো অনুমোদন নিয়ে কার্যক্রম নেই।
বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা বলেন, সংবাদ জগতকে বা গণমাধ্যমকে শিল্প হিসেবে দেখতে হবে। এজন্য শিল্পের কর্মীদের ছাঁটাই করলে কোনো প্রতিষ্ঠানই ভালো চলবে না।
তিনি বলেন, ব্যাংক লোপাট হচ্ছে বলে গণমাধ্যম নেতাদের ব্যাংক হিসাব তলব করার নির্দেশনা, এটা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এটা ক্ষতিকর।
সভায় রাজশাহী বিভাগ সাংবাদিক সমিতির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।





