দেশে গণতন্ত্র নেই, বাকস্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নেই: আব্দুল কাইয়ুম পংকী
সময় সিলেট ডেস্ক

হযরত শাহজালাল রহ. মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে দলীয় কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করেছে সিলেট মহানগর বিএনপির নবগঠিত আহবায়ক কমিটি। রবিবার (৩ অক্টোবর) বাদ আসর নবগঠিত আহবায়ক কমিটির আহবায়ক আব্দুল কাইয়ুম জালালী পংকী ও সদস্য সচিব মিফতাহ সিদ্দিকীর আহবানে বিএনপি ও অঙ্গ এবং সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী মাজার প্রাঙ্গনে উপস্থিত ছিলেন।
মাজার জিয়ারত পরবর্তীতে নবগঠিত কমিটি দরগাহ গেইট থেকে একটি বিশাল মিছিল বের হয়। মিছিলটি চৌহাট্টা পয়েন্টে এক পথসভায় মিলিত হয়।
মাজার জিয়ারত পরবর্তীতে নবগঠিত কমিটি দরগাহ গেইট থেকে একটি বিশাল মিছিল বের হয়। মিছিলটি চৌহাট্টা পয়েন্টে এক পথসভায় মিলিত হয়।
সদস্য সচিব মিফতাহ সিদ্দিকীর পরিচালনায় পথসভায় সভাপতির বক্তব্যে নবগঠিত কমিটির আহবায়ক আব্দুল কাইয়ুম জালালী পংকী তার অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে বেগম খালেদা জিয়া, তারেক রহমান ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
আব্দুল কাইয়ুম জালালী পংকী বলেন- ষড়যন্ত্রের শিকার দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি আন্দোলনের বিকল্প নেই। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকার ও রাষ্ট্রযন্ত্রের সকল ষড়যন্ত্র ও রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে আন্দোলনের মাধ্যমে দেশনায়ক তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনতে হবে।
‘দেশে গণতন্ত্র নেই। মানুষের বাকস্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নেই। দেশে নীরব দুর্ভিক্ষ চলছে। চরম অর্থনৈতিক সংকটে ভুগছে দেশের সাধারণ মানুষ। কিন্তু আওয়ামী সরকারের তাতে ভ্রুক্ষেপ নেই।’
তিনি বলেন- দেশে গণতন্ত্র নেই। মানুষের বাকস্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নেই। দেশে নীরব দুর্ভিক্ষ চলছে। চরম অর্থনৈতিক সংকটে ভুগছে দেশের সাধারণ মানুষ। কিন্তু আওয়ামী সরকারের তাতে ভ্রুক্ষেপ নেই। কারণ তাদের জবাবদিহিতা নেই। জনগণের ভোট তাদের প্রয়োজন নেই। আবারো তারা নীল নকশার নির্বাচনের পায়তারা করছে। ক্ষমতা চিরস্থায়ী করার বন্দোবস্ত করে ফেলেছে তারা। তাই তারা দেশের মানুষকে পরোয়া করেনা। বিরোধী মতকে করছে নিষ্পেষিত। কিন্তু আমরা ওয়াদা করছি, স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশকে পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে আমরা মুক্ত করবো। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির মাধ্যমে দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনবো ইনশাআল্লাহ।
পথসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন- বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার আব্দুস সালাম, সহ-ক্ষুদ্র ঋণ বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, কেন্দ্রীয় সদস্য আবুল কাহের চৌধুরী শামীম, মহানগর বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক হুমায়ুন কবীর শাহীন, কাউন্সিলর ফরহাদ চৌধুরী শামীম, রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, জিয়াউল গণি আরিফিন জিল্লুর, সুদীপ রঞ্জন সেন বাপ্পু, ইমদাদ হোসেন চৌধুরী, এডভোকেট রোকশানা বেগম শাহনাজ, নজীবুর রহমান নজীব, আহবায়ক কমিটির সদস্য নাসিম হোসাইন, জিয়াউল হক জিয়া, আমির হোসেন, নিহার রঞ্জন দে, মাহবুব কাদির শাহী, মুকুল আহমেদ মুর্শেদ, হুমায়ূন আহমদ মাসুক, আফজল হোসেন, শামীম মজুমদার, আবুল কালাম।
জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- জেলা আহবায়ক কমিটির সদস্য মাহবুবুর রব চৌধুরী ফয়ছল, এডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী, আব্দুল আহাদ খান জামাল, মাহবুবুল হক চৌধুরী।
এছাড়া, বিএনপি ও অঙ্গ এবং সহযোগি সংগঠনের সকল আহবায়ক/সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক/সদস্য সচিব’সহ নগরীর ২৭টি ওয়ার্ডের সকল নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।




