সিলেটে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ব্যাটারিচালিত রিকশা-ইজিবাইক
স্টাফ রিপোর্টার

সড়ক আইনে নিষিদ্ধ থাকলেও সিলেট নগরে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ব্যাটারিচালিত রিকশা, ইজিবাইক। আর নিষিদ্ধ এসব বাহন থেকে আদায় করা হয় নিয়মিত চাঁদা। সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) পক্ষ থেকে বারবার অভিযান পরিচালনা করা হলেও অজ্ঞাত কারণেই তা আবার থমকে যায়। ফলে কোনোভাবেই যেন লাগাম টানা যাচ্ছে না ব্যাটারিচালিত এসব যানবাহনের। সেইসঙ্গে মালিকরাও কোনোরকম বাছবিচার না করে কিশোরদের হাতেই তুলে দিচ্ছেন ইজিবাইক, ব্যাটারিচালিত রিকশা। ফলে বাড়ছে দুর্ঘটনা, প্রাণহানি।
তবে মাঝেমধ্যে সিসিকের পক্ষ থেকে মূল সড়কে অভিযান চালানো হলেও গলিপথে ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক, টমটম, রিকশায় সয়লাব। আর এসব চলাচলের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা থাকায় গড়ে উঠেছে চাঁদাবাজ সিন্ডিকেট। এতে আদায় হচ্ছে লাখ লাখ টাকার চাঁদা।
বিশেষ করে নগরীর সুরমা নদীর পাড়ে কোতোয়ালি থানার সামনে থেকে কলাপাড়া পর্যন্ত নিয়মিত চলে ইজিবাইক। তাই কোতোয়ালি থানার সামনেই গড়ে তোলা হয়েছে ইজিবাইকের স্ট্যান্ড। এদিকে আম্বরখান-ভোলাগঞ্জ সড়কে প্রতিদিন শতশত পাথরবাহী ট্রাক চলাচল করলেও হোটেল পলাশের সামনে থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত দেদার চলে ইজিবাইক ও ব্যাটারিচালিত রিকশা। বাদ পড়ে না টিলাগড় থেকে তামাবিল মহাসড়ক।
তবে এবার এসব ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও টমটমের বিরুদ্ধে অভিযানে নামার ঘোষণা দিয়েছে সিসিক। ইতোমধ্যে নগরজুড়ে মাইকিং করে প্রচার চালানো হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন সিসিকের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মতিউর রহমান খান।
তিনি বলেন, আগেও অভিযান চালানো হয়েছে। কিন্তু ইদানীং দেখা যাচ্ছে এসব ব্যাটারিচালিত বাহনের দৌরাত্ম্য বেড়ে গেছে। তাই আবার অভিযানের সিদ্ধান্ত হয়েছে। ইতোমধ্যে আমরা মাইকিং করে এবং পত্রপত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রচার চালাচ্ছি। আগামী ৮ নভেম্বর থেকে কঠোর অভিযান পরিচালনা করা হবে।
তবে সিসিকের পক্ষ থেকে এ অভিযান মূল সড়কে কিংবা বন্দর আর জিন্দাবাজার এলাকায় সীমাবদ্ধ না রেখে গলিপথে ও ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত টিলাগড়, বিমানবন্দর সড়ক ও কলাপাড়া এলাকায় প্রসারিত করার দাবি সিলেটবাসীর।




