দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে একের পর এক লাশ হয়ে ফিরছেন বাংলাদেশীরা
অতিথি সংবাদদাতা

শওকত বিন আশরাফ, দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে : জীবন-জীবিকা এবং উন্নত জীবনের আশায় অবৈধ পথে দক্ষিণ আফ্রিকা পাড়ি জমানো বাংলাদেশীরা প্রতিনিয়ত লাশ হয়ে ফিরছেন দেশে। পৃথিবীর কমবেশি সব দেশের অভিবাসীরা দক্ষিণ আফ্রিকায় বসবাস করে আসলেও প্রতি বছর কম করে হলেও দেড় শতাধিক বাংলাদেশি প্রাণ হারান দক্ষিণ আফ্রিকায়।
বাংলাদেশীদের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকা যেন মৃত্যুকূপ। প্রতি বছর মৃত্যু হওয়া দেড় শতাধিক বাংলাদেশীর মৃত্যু হয় চোর ডাকাতের গুলিতে। তবে অধিকাংশ মৃত্যুর পেছনে অপর বাংলাদেশীরা জড়িত বলেও অভিযোগ রয়েছে। ব্যবসায়িক পার্টনারশিপ নিয়ে বনিবনা না হওয়ায় একজন বাংলাদেশি প্রতিহিংসার বসবর্তি হয়ে স্থানীয় কৃষ্ণাঙ্গ নাগরিক দিয়ে অপর বাংলাদেশীকে খুন করিয়ে থাকে। এছাড়াও রয়েছে নারী সংঘটিত কারণে খুন।
দক্ষিণ আফ্রিকায় কী করলে বাংলাদেশীরা এ পরিস্থিতি থেকে বের হয়ে আসবে- এমন প্রশ্নের উত্তরে দেশটির বাংলাদেশ হাইকমিশনে কর্মরত সদ্য বদলি হওয়া ফার্স্ট সেক্রেটারি খালেদা বেগম জানান— বাংলাদেশীরা যতোদিন একত্রিত হতে পারবে না ততোদিন দক্ষিণ আফ্রিকায় খুন বন্ধ হবে না। অধিকাংশ খুন এবং অপহরণের সাথে বাংলাদেশীরা জড়িত।
একই প্রশ্নের উওরে সাংবাদিক ও কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব এসএইচ মোশাররফ বলেন— দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশী হত্যা বন্ধ করতে হলে হাইকমিশন ও বাংলাদেশ কমিউনিটি একসাথে কাজ করতে হবে। হাইকমিশন ও কমিউনিটি একসাথে মিলে কাজ করলে বাংলাদেশী হত্যাকাণ্ড কিছুটা কমে আসবে।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের ৫০ দিনে ২৬ বাংলাদেশীর মৃত্যু হয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকায়।




