ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন সিলেটের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন সিলেটের সভাপতি প্রফেসর ডা. এম এনায়েত উল্লাহ্ বলেছেন— অলাভজনক সেবামূলক প্রতিষ্ঠান সিলেট ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল হৃদরোগীদের স্বল্প খরচে অত্যন্ত দক্ষ কার্ডিওলজিষ্ট দ্বারা চিকিৎসা সেবা প্রদান করে যাচ্ছে। অত্র হাসপাতালে দীর্ঘদিন থেকে ক্যাথল্যাবে রোগীদের এনজিওগ্রাম, এনজিওপ্লাস্টি, পেসমেকার স্থাপন করা হয়। পাশাপাশি অত্যন্ত দক্ষ কার্ডিয়াক সার্জন দ্বারা ওপেন হার্ট সার্জারী করতে সক্ষম হয়েছে।
শুক্রবার (৩ জুন) বিকেলে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন সিলেট এর ২৩তম বার্ষিক সাধারণ সভা-২০২১ ও নির্বাচন-২০২২ অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে ফাউন্ডেশনের সভাপতি প্রফেসর ডা. এম এনায়েত উল্লাহ্ এ কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন— এই অঞ্চলের হৃদরোগীদের চাহিদার কথা বিবেচনা করে সিলেট ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল আরেকটি ক্যাথল্যাব চালু করতে যাচ্ছে। তিনি বলেন— সকলের সর্বাত্মক সহযোগিতায় আমরা চাই সিলেট বা এদতঞ্চলের হৃদরোগীরা যেনো চিকিৎসার জন্য ঢাকা বা অন্য কোথাও যেতে না হয়। প্রফেসর ডা. এম এনায়েত উল্লাহ্, প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সর্বক্ষেত্রে সহযোগিতা প্রদানের জন্য ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক ব্রিগেডিয়ার (অব.) আব্দুল মালিকের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন সিলেট এর পাবলিসিটি সেক্রেটারি আবু তালেব মুরাদের পরিচালনায় এবং হাফিজ আব্দুল বাছির কর্তৃক পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াতের পর শোক প্রস্তাব পাঠ করেন কার্যকরী কমিটির সদস্য ডা. শামীম আহমদ।
সভার শুরুতে বিগত বার্ষিক সাধারণ সভার কার্যবিবরণী পেশ এর পাশাপাশি ২০২১ সনের বার্ষিক প্রতিবেদন পেশ করেন সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ডা. মো. আমিনুর রহমান লস্কর। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন— বহিঃ বিভাগ, অন্তঃ বিভাগ, সিসিইউ, পোস্ট সিসিইউ ছাড়াও ক্যাথল্যাবে সিএজি, পিটিসিএ, পিপিএম, টিপিএম, পিএজি এবং প্রাইমারি পিসিআই এবং বাইপাস সার্জারী অত্যন্ত সফলতার সহিত সম্পন্ন করা হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন— বর্তমান সরকারের সহযোগিতা, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তি এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে আব্দুল মোমেন এমপির সহায়তায় আমরা অনেক দূর এগিয়ে যাচ্ছি। ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন সিলেট এর কোষাধ্যক্ষ জামিল আহমেদ চৌধুরী ২০২০-২১ অর্থ বছরের অডিট রিপোর্ট পেশ, আগামী অর্থ বছরের অডিটর নিয়োগ এবং ২০২২ সালের বার্ষিক বাজেট উপস্থাপন করেন।
২৩তম বার্ষিক সাধারণ সভায় বক্তব্য রাখেন— আজীবন সদস্য প্রফেসর ডা. আজিজুর রহমান, প্রফেসর ডা. এম এ মতিন, প্রফেসর ডা. মো. ইসমাঈল পাটুয়ারি এবং সহিদ আহমদ চৌধুরী সাজু।
এছাড়াও বার্ষিক সাধারণ সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন— ফাউন্ডেশনের সহ-সভাপতি এম মুহিবুর রহমান, সহ-সভাপতি প্রফেসর ডা. মো. আলতাফুর রহমান, সহ-সভাপতি প্রফেসর ডা. সুধাংশু রঞ্জন দে, জয়েন্ট সেক্রেটারি মাহবুব ছোবহানী চৌধুরী, জয়েন্ট সেক্রেটারী ডা. মোস্তফা শাহ জামান চৌধুরী বাহার, জয়েন্ট ট্রেজারার ডা. এস এস আই এইচ জালালী, সাইন্টিফিক সেক্রেটারী ডা. মো. শামীমুর রহমান, সোস্যাল সেক্রেটারি সহিদ আহমদ চৌধুরী, ইন্টারন্যাশনাল রিলেশন সেক্রেটারী এস আই আজাদ আলী, কার্যকরি কমিটির সদস্য এম এ করিম চৌধুরী, প্রফেসর ডা. মো. রেজাউল করিম, প্রফেসর ডা. মো. মনোজ্জীর আলী, আবু আহমদ সিদ্দিকী খসরু, আব্দুল মালিক জাকা, ড. ওয়ালি তছর উদ্দিন এমবিই, প্রফসর ডা. মো. আব্দুস সালাম, ডা. এস এম হাবিবুল্লাহ সেলিম এবং মাসুদ আহমদ চৌধুরী।
এছাড়াও আজীবন সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন— হানিফ মোহাম্মদ ও খালেদ হোসেন।