একদিনে আফগানের আরও তিনটি প্রাদেশিক রাজধানী তালেবানদের দখলে
আন্তর্জাতিক সময়

গজনির পর লস্করগাহ, কান্দাহার ও হেরাতে তীব্র লড়াইয়ের খবর পাওয়া যাচ্ছিলো। তবে সে লড়াই ঠেকাতে পারেনি তালেবানদের অগ্রযাত্রা। একদিন পরই লস্করগাহসহ আফগানিস্তানের দ্বিতীয় ও তৃতীয় বৃহত্তম শহর কান্দাহার ও হেরাতের নিয়ন্ত্রণ নেয় তালেবান সশস্ত্র যোদ্ধারা। এ অবস্থায় যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশটিতে থাকা দূতাবাস কর্মকর্তাদের উদ্ধারে যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্য জরুরি সেনা পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে।
কান্দাহারের বাসিন্দাদের বরাত দিয়ে কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আলজাজিরা জানিয়েছে- শুক্রবার (১৩ আগস্ট) সকালে প্রদেশটির গভর্নর অফিসের আঙিনায় তালেবানদের সাদাকালো পতাকা উড়তে দেখা গেছে।
আয়তনে আফগানিস্তানের সবচেয়ে বড় প্রদেশ লস্করগাহ। প্রাদেশিক রাজধানী হেলমান্দ আক্রান্ত হওয়ার পর সমঝোতা করে প্রদেশটির নিয়ন্ত্রণ তালেবানদের হাতে তুলে দিয়ে শহর ছাড়ে আফগান সেনা ও সরকারি কর্মকর্তারা।
হেরাতের প্রাদেশিক কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানায়- তৃতীয় বৃহত্তম এ শহরেরর সেনাক্যাম্প এবং বিমানবন্দরের নিয়ন্ত্রণ এখনও সরকারি বাহিনীর হাতে রয়েছে। বাকী সবকিছুই তালেবান যোদ্ধাদের দখলে।
এদিকে যুদ্ধ ছাড়াই দখলে নিয়েছে পশ্চিমাঞ্চলীয় ঘর প্রদেশের রাজধানী ফিরুজকহ। তালেবানদের উপস্থিতির আগেই সরকারি কর্মকর্তা ও নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যরা ফিরুজকহ ত্যাগ করে। সংসদ সদস্য ফাতিমা কোহিস্তানির বরাত দিয়ে আলজাজিরা জানিয়েছে- ৩৪ টি প্রদেশের মধ্যে এটি ১৫তম প্রাদেশিক রাজধানী যা মাত্র সপ্তাহখানেকের ব্যবধানে তালেবানদের দখলে গেল।
আফগানিস্তানের প্রায় অর্ধেক এলাকার নিয়ন্ত্রণ তালেবানদের হাতে চলে যাওয়ার পর দূতাবাস কর্মকর্তা’সহ নাগরিকদের দেশে ফেরাতে জরুরি সেনা ও বিমান পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য সরকার।
মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর জানিয়েছে- ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দূতাবাস কর্মকর্তাদের উদ্ধারে তিন হাজার সেনা পাঠানো হবে। আর দোভাষী ও নিজদেশের নাগরিকদের উদ্ধারে সহায়তার জন্য বৃটেন পাঠাবে প্রায় ছয়শো সেনা।




