সরকারি কর্মচারীকে গ্রেপ্তারে পূর্বানুমতির বিধান নিয়ে রুল
সময় সংগ্রহ
আইনের ৪১ (১) ধারা বলছে, কোনো সরকারি কর্মচারীর দায়িত্ব পালনের সঙ্গে সম্পর্কিত অভিযোগে দায়ের করা ফৌজদারি মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র গৃহীত হওয়ার আগে তাঁকে গ্রেপ্তার করতে হলে, সরকার বা নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি গ্রহণ করতে হবে।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. আজিজুর রহমান দুলু, সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী ইশরাত হাসান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।
আরিফুল অনলাইন গণমাধ্যম বাংলা ট্রিবিউনের কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি। গত বছরের ১৩ মার্চ মধ্যরাতে তাঁকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নামে জেলা প্রশাসনের কয়েকজন কর্মকর্তা বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যান। তখন কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়, মাদকবিরোধী অভিযানে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর কাছ থেকে ৪৫০ গ্রাম দেশি মদ ও ১০০ গ্রাম গাঁজা পাওয়ায় এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
পরে আরিফুল জামিনে মুক্তি পেয়ে কুড়িগ্রামের তৎকালীন জেলা প্রশাসক মোছা. সুলতানা পারভীন, আরডিসি নাজিম উদ্দিন, সহকারী কমিশনার রিন্টু বিকাশ চাকমা, এস এম রাহাতুল ইসলামসহ অন্যদের বিরুদ্ধে মামলা করেন।
আইনজীবী মো. আজিজুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, ফৌজদারি মামলাটি তদন্তাধীন। তবে সুলতানা পারভীনসহ অন্যরা জামিন নেননি। পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে জানানো হয়, এসব কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তারের আগে অনুমতি লাগবে। এমনকি এস এম রাহাতুল ইসলামকে ইতিমধ্যে বরিশালে পদায়ন করা হয়। এ অবস্থায় আইনের ৩ ও ৪১ (১) ধারা চ্যালেঞ্জ করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার পদায়ন ও অন্যদের পদায়ন না করতে ওই রিটটি করা হয়।
রুলে ফৌজদারি মামলা থাকা কুড়িগ্রামের তৎকালীন জেলা প্রশাসক মোছা. সুলতানা পারভীন, সহকারী কমিশনার রিন্টু বিকাশ চাকমা ও সিনিয়র সহকারী কমিশনার নাজিম উদ্দিনকে পদায়ন না করতে যথাযথ নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না এবং এস এম রাহাতুল ইসলামকে বরিশালে সহকারী কমিশনার হিসেবে পদায়ন করা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে। জনপ্রশাসনসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিবসহ বিবাদীদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।





