কুলাউড়ায় উন্নয়নের তথ্য দিতে নারাজ রেলওয়ে প্রকৌশলী
কুলাউড়া সংবাদদাতা

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া রেলওয়ে জংশন স্টেশনে চলছে সংস্কার ও আধুনিকায়ন কাজ। কাজ শেষ হলে দীর্ঘদিনের ভোগান্তি কমবে বলে জানিয়েছেন ট্রেনযাত্রীরা। তবে এ উন্নয়ন কাজ কত টাকার প্রকল্প- এই তথ্য গণমাধ্যমকে দিতে রাজি নন কুলাউড়া রেলওয়ে জংশনের ঊর্ধ্বতন উপসহকারী প্রকৌশলী (আইডাব্লিউ) জুয়েল হোসাইন।
জানা যায়, মুজিববর্ষ উপলক্ষে দেশের ৫৫টি রেলওয়ে স্টেশনে আধুনিকায়ন কাজ হচ্ছে। এর মধ্যে একটি কুলাউড়া রেলওয়ে স্টেশন। স্টেশন আধুনিকায়নের মধ্যে রয়েছে, প্ল্যাটফর্মে শেড নির্মাণ, সীমানা বৃদ্ধি, প্ল্যাটফরম উঁচুকরণ, রং, বৈদ্যুতিক কাজ ও দুই পাশে দেওয়াল নির্মাণ। এ কাজের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন কুলাউড়া রেলওয়ে জংশনের ঊর্ধ্বতন উপসহকারী প্রকৌশলী (আইডাব্লিউ) জুয়েল হোসাইন। তবে এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে কোনো তথ্য দিয়ে সহায়তা করছেন না তিনি।
সার্বিক বিষয়ে জানতে জুয়েল হোসাইনকে একাধিকবার ফোন দেওয়ার পর পাওয়া গেলেও তিনি বাইরে আছেন এবং অফিসে গিয়ে তথ্য দিবেন বলে ফোন রেখে দেন। পরে এ প্রতিবেদক তার অফিসে গেলে তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে তথ্য নেওয়ার অজুহাত দেখিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যান। পরবর্তীতে জুয়েল হোসেনকে তথ্য দেয়ার জন্য রেলওয়ের সহকারী নির্বাহী প্রকৌশলী নির্দেশ দেওয়ার পরও তিনি তথ্য দিয়ে গণমাধ্যমকে সহযোগিতা করেননি।
এ বিষয়ে সিলেট রেলওয়ের সহকারী নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আনোয়ার হোসেন জানান— ঊর্ধ্বতন উপসহকারী প্রকৌশলী (আইডাব্লিউ) প্রকল্পের বিষয়ে সকল তথ্য দেওয়ার কথা। আমি তাকে বলে দিচ্ছি।
এদিকে, অভিযোগ রয়েছে জুয়েল হোসাইন কুলাউড়া ঊর্ধ্বতন উপসহকারী প্রকৌশলী হিসেবে যোগদানের পর থেকেই কুলাউড়া জংশন স্টেশনে নিজের আধিপত্য বিস্তার শুরু করেন। এরই অংশ হিসেবে বিভিন্ন দলের নেতাকর্মীদের যোগসাজশে একটি বড় সিন্ডিকেট গড়ে তুলেন। এই সিন্ডিকেটের সহায়তায় নির্বিঘ্নে তিনি বিভিন্ন অনিয়ম ও বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন। এর আগেও তার বিরুদ্ধে গণমাধ্যমে অনিয়ম-দুর্নীতির খবর প্রকাশ হয়েছে।




