খালেদা জিয়াকে পদ্মায় ফেলতে ও ড. ইউনূসকে চুবাতে বললেন প্রধানমন্ত্রী
সময় সিলেট ডেস্ক

বাংলাদেশের মানুষের কাছে এক সময় যা ছিলো স্বপ্ন, সেই উম্মত্ত পদ্মা নদীর উপরে সেতু এখন বাস্তব। আর মাত্র কিছু দিনের অপেক্ষা, তারপরেই সেই পদ্মা সেতুতে চলবে যানবাহন।
এই পদ্মা সেতু প্রকল্প নিয়ে বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া ও অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ভূমিকার সমালোচনা করার পাশাপাশি তাদের একহাতও নিয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
খালেদা জিয়া একবার বলেছিলেন জোড়াতালি দিয়ে পদ্মা সেতু বানানো হচ্ছে। অন্যদিকে ইউনূস আমেরিকাতে লবি করে পদ্মা সেতুতে অর্থায়ন বন্ধের চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ আছে।
সেই কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন— এমন ধরনের কথা ও অপকর্মের জন্য খালেদা জিয়াকে সেতু থেকে পদ্মা নদীতে ফেলে দেয়া উচিৎ। আর ইউনূসকে পদ্মায় চুবানো উচিৎ।
বুধবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত আলোচনা সভায় ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
শেখ হাসিনা বলেন— খালেদা জিয়া বলেছিল, জোড়াতালি দিয়ে পদ্মা সেতু বানাচ্ছে, ওখানে চড়া যাবে না, চড়লে ভেঙে পড়বে। পদ্মা সেতুতে নিয়ে গিয়ে ওখান থেকে (খালেদা জিয়াকে) টুস করে নদীতে ফেলে দেয়া উচিত।
একই সঙ্গে তিনি আরও বলেন— যিনি একটা এমডি পদের জন্য পদ্মা সেতুর মতো সেতুর টাকা বন্ধ করেছেন, তাকেও পদ্মা নদীতে নিয়ে দুই চুবানি দিয়ে উঠিয়ে নেয়া উচিত। মরে যাতে না যায়। পদ্মা নদীতে দুইটা চুবানি দিয়ে সেতুতে তুলে দেয়া উচিত। তাহলে যদি এদের শিক্ষা হয়।
সরকার প্রধান বলেন— পদ্মা সেতুর অর্থ বন্ধ করালো ড. ইউনূস। কেন? গ্রামীণ ব্যাংকের একটা এমডির পদে তাকে থাকতে হবে। তাকে আমরা প্রস্তাব দিয়েছিলাম গ্রামীণ ব্যাংকের উপদেষ্টা হতে। একটা উপদেষ্টা হিসেবে থাকা আরও উচ্চ মানের। সেটা সে ছাড়বে না, তার এমডিই থাকতে হবে। কিন্তু তার বয়সে কুলায় না।
তিনি আরো যোগ করেন— ড. ইউনুস কিন্তু আমাদের সরকারের বিরুদ্ধে মামলাও করেছিল। কিন্তু কোর্ট আর যাই পারুক, তার বয়স তো কমিয়ে দিতে পারে না, ১০ বছর। কারণ, গ্রামীণ ব্যাংকের আইনে আছে ৬০ বছর পর্যন্ত থাকতে পারে। তখন তার বয়স ৭১ বছর। এই বয়সটা কমাবে কীভাবে? সেই মামলায় সে হেরে যায়। কিন্তু প্রতিহিংসা নেয়।
দেশের টাকায় নির্মিত পদ্মা সেতু এখন উদ্বোধনের অপেক্ষায়। সেই প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন— বাংলাদেশ যে নিজের অর্থায়নে পদ্মা সেতু তৈরি করতে পারে, সেটা আজ আমরা প্রমাণ করেছি। পদ্মা সেতু এখন আর স্বপ্ন নয়, বাস্তব।




